সাতক্ষীরার আলীপুর ঋষিপাড়ায় মিথ্যা মামলায় অনেকেই ঘরছাড়া

 Posted on

সালমা আক্তার ::
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ঢালিপাড়া ও ঋষিপাড়া মিলে ৫০ ঘরের মত লোক বাস করে। গ্রামের ডাক নাম দলিতপাড়া। জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গত মার্চ মাসে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়।
বাড়ি হতে যাতায়াতের পথ দেবে না বলে তাদের ৫০ ঘর লোকের মধ্যে ৪০ ঘর একদিকে আর ১০ ঘর একদিকে। ১০ঘর এর লোক ৪০ ঘর লোকের উপর যারা একটু বাড়ীর প্রধান তাদের উপর ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলা করে। মামলা এখনও চলমান। সবচেয়ে বড় কথা যেটা ১০ ঘর ঋষি সম্প্রদায়ের লোকদের উপর মদদ দেয় মুসলিম জনগন যাতে করে তাদের মদদে নিজেদের মধ্যে আরো বেশি করে মারামারির ঘটনা ঘটে।
বৈশাখ মাসে যখন পুজা হয় ঠিক তখনি দুই পক্ষের মধ্যে আবারও শুরু হয় মারামারি। মুসলমান লোকেরা তাদের উপর ক্ষমতা দেখায়, যাতে করে তারা নিজেদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করে এক পর্যায় এলাকা ছেড়ে চলে যায়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা থানায় কেস করতে গেলে থানা পুলিশ সেটা গ্রহন করে না। তাদের কথায় গুরুত্ব দেয়া হয় না তাদের থানা থেকে বের করে দেয়া হয়। তার একটা কারন যে ঋষি সম্প্রদায়ের লোকেরা অবহেলিত তারা তাদের যোগ্য সম্মান পায় না, যে কারনে তারা ভারতে চলে যাচ্ছে। তাদের নিজেদের কথা তারা বলতে পারছে না। তারা শোষিত হচ্ছে।
বৈশাখ মাসে মারামারি ঘটে যাওয়ার পর আর কোন ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু এখনও তাদের উপর মামলা চলমান রয়েছে। তারা নিজেরা এইভাবে অবহেলিত ও শোষনের শিকার হচ্ছে।
সালমা আক্তার, সুনাম, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক।

Facebook Comments