চলে গেলেন বীরাঙ্গনা পারুল রানী

 Posted on

বরগুনার পাথরঘাটায় বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা পারুল রানীর (৯০) শেষকৃত্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে।। শুক্রবার সকাল ১০টায় তার মরদেহ দাফন করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে পাথরঘাটার চরদুয়ানী গ্রামের বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃতুবরণ করেন। তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্বামী মনোহর মিস্ত্রী শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও ছেলে মনমথ মিস্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীরা পারুল রানীর স্বামী মনোহর মিস্ত্রী, তার ভাই কর্ণধর মিস্ত্রী ও তাদের প্রতিবেশী মতিউর রহমানকে গুলি করে হত্যা করে। এ ছাড়া পাকিস্তানি বাহিনীরা তাদের বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। তার ছেলে মনমথ মিস্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে থাকায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান।

পারুল রানীর ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মনমথ রঞ্জন মিস্ত্রী বলেন, মা দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যে শয্যাশায়ী ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে নিজ বাড়িতে দেহত্যাগ করেন। তিনি আরও বলেন, আমার মা বাবার হত্যার বিচার দেখে যেতে পারলেন না। মারা যাওয়ার আগে প্রতিমুহূর্তে স্বামী হত্যার বিচার চেয়েছিলেন। আমার মা ২০১৮ সালের ২৫ নভেম্বর বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভাতাপ্রাপ্ত হন।

Facebook Comments